Breaking
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র'কে বিধস্ত করার লক্ষ্যে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে তেহরান -ইরানের নৌবাহিনীর উপপ্রধান অ্যাডমিরাল বামানি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র'কে বিধস্ত করার লক্ষ্যে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে তেহরান -ইরানের নৌবাহিনীর উপপ্রধান অ্যাডমিরাল বামানি

Share:

Written By

News Desk

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র'কে বিধস্ত করার লক্ষ্যে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে তেহরান -ইরানের নৌবাহিনীর উপপ্রধান অ্যাডমিরাল বামানি

তেহরান, ইরান | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | দ্য গ্লোবাল জার্নাল

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দুর্বলতাগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন অস্ত্র তৈরি করেছে ইরান। শত্রুপক্ষের সামরিক কৌশল মোকাবিলায় নিজস্ব নতুন পদ্ধতিও গ্রহণ করছে তেহরান। ইরানের সেনাবাহিনীর নৌবাহিনীর উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল বামানি এ দাবি করেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির মেহের নিউজ এজেন্সি।

মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী - এক সাক্ষাৎকারে বামানি বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের সামরিক সক্ষমতা উন্নত করছে। শত্রুপক্ষের দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে ইরানের সেনাবাহিনীর নৌবাহিনী নতুন অস্ত্র তৈরি করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে নতুন অস্ত্রগুলোর ধরন, পাল্লা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কিংবা সেগুলো ইতোমধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি এই সামরিক কর্মকর্তা।

‘ইরানের জন্য শত্রুদের হুমকি নতুন নয়’

বামানি বলেন, ইসলামি বিপ্লবের সূচনা থেকেই ইরান বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখোমুখি হয়ে আসছে। কখনো গোপনে, আবার কখনো প্রকাশ্যে এসব হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের সামরিক চাপ ও সংঘাতের অভিজ্ঞতা ইরানকে প্রতিপক্ষের কৌশল বিশ্লেষণ এবং নিজেদের প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক সক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করেছে।

ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে মার্কিন বাহিনী দূরে সরে গেছে বলে দাবি

ইরানের পাল্টা হামলার পর প্রতিপক্ষের সামরিক বাহিনী দেশটির সামুদ্রিক সীমান্ত থেকে অনেক দূরে সরে গেছে বলে দাবি করেছেন বামানি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান-ইরাক যুদ্ধের পর থেকে বর্তমানে মার্কিন বাহিনী ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী অবস্থানে রয়েছে।

গত ১৩ জুন ও ২৮ ফেব্রুয়ারির সংঘাতের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের সেনাবাহিনীর নৌবাহিনী এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী বিভিন্ন সময়ে মার্কিন বাহিনীর ওপর উল্লেখযোগ্য আঘাত হেনেছে। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষও কখনো কখনো এসব আঘাতের বিষয়টি স্বীকার করেছে।

তবে মার্কিন বাহিনীর বর্তমান অবস্থান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ইরানের পাল্টা হামলার সামরিক প্রভাব সম্পর্কে বামানির বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

নৌ অবরোধ মোকাবিলায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কৌশল

ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধের বিষয়েও কথা বলেছেন দেশটির সেনাবাহিনীর নৌবাহিনীর উপপ্রধান। তিনি জানান, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরান সরকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল নিয়ে কাজ করছে।

তবে এসব কৌশলের বিস্তারিত বিবরণ তিনি দেননি।

ইরানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন দেশটির সামরিক সক্ষমতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাব নিয়ে আঞ্চলিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

দ্য গ্লোবাল জার্নাল |

ইরানের নতুন অস্ত্রের সক্ষমতা, মার্কিন বাহিনীর অবস্থান এবং সংঘাতের ফলাফল সম্পর্কে সামরিক কর্মকর্তার দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।