Breaking
ভারত-ব্রাজিলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর,প্রেসিডেন্ট লুলা সিলভা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক

ভারত-ব্রাজিলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর,প্রেসিডেন্ট লুলা সিলভা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক

World News2/21/2026
Share:

Written By

News Desk

ভারত-ব্রাজিলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর,প্রেসিডেন্ট লুলা সিলভা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক              

                                                                                                                                            

 নয়াদিল্লি, ভারত | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | দ্য গ্লোবাল জার্নাল                                                      

                                                                                                 

ভারত এবং ব্রাজিলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মৃত্তিকা (রেয়ার আর্থ) খাতে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি “সহনশীল সরবরাহ শৃঙ্খল গঠনের পথে বড় পদক্ষেপ” হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শনিবার নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সঙ্গে বৈঠকে এই চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকের পর দেওয়া এক বিবৃতিতে মোদি বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও রেয়ার আর্থ সহযোগিতা ভারতকে টেকসই ও স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।”

বর্তমানে বিশ্বে রেয়ার আর্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে চীনের আধিপত্য রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চীনের রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হয়েছে।

বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের দ্বিতীয় বৃহত্তম মজুদ ব্রাজিলে অবস্থান করছে। এসব খনিজ বৈদ্যুতিক যানবাহন, সৌর প্যানেল, স্মার্টফোন, জেট ইঞ্জিন ও গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রসহ উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

প্রেসিডেন্ট লুলা বলেন, “নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এই নতুন চুক্তির মূল ভিত্তি।” যদিও চুক্তির বিস্তারিত এখনও প্রকাশিত হয়নি, দ্রুত অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও শিল্পায়নের কারণে ভারতে লৌহ আকরিকের চাহিদা বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার পর ব্রাজিল বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম লৌহ আকরিক উৎপাদক ও রপ্তানিকারক।

নয়াদিল্লিভিত্তিক থিংক ট্যাংক Council on Energy, Environment and Water–এর বিশেষজ্ঞ ঋষভ জৈন এএফপিকে বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহে বৈচিত্র্য আনতে ভারত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার করেছে। গ্লোবাল সাউথ জোটগুলো বৈচিত্র্যময় সম্পদ প্রাপ্তি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নতুন কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

এই চুক্তি ভারতের কৌশলগত স্বনির্ভরতা ও টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খল গঠনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে ধরা হচ্ছে।