Breaking
পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২টি জাহাজ ও ৮টি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইরান—এমন দাবি করেছে IRGC

পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২টি জাহাজ ও ৮টি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইরান—এমন দাবি করেছে IRGC

Share:

Written By

News Desk

পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২টি জাহাজ ও ৮টি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইরান—এমন দাবি করেছে IRGC 

তেহরান | ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারস্য উপসাগরে পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন হামলার জবাবে দুইটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (IRGC) নৌবাহিনী। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ এলাকা অতিক্রমের চেষ্টা করা আরও ১০টি জাহাজকেও লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে তারা।

আইআরজিসি নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরে পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিবৃতিতে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ডকে ‘আগ্রাসন ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুই মার্কিন জাহাজ ও আট ট্যাংকারে হামলার দাবি

আইআরজিসি নৌবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, প্রতিশোধমূলক অভিযানে পারস্য উপসাগরে দুইটি মার্কিন জাহাজ এবং আটটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তুগুলো ‘ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানি বাহিনী।

তবে হামলার ধরন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর পরিচয় সম্পর্কে বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। মার্কিন পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হরমুজ প্রণালিতে আরও ১০ জাহাজ লক্ষ্যবস্তু

আইআরজিসি নৌবাহিনী আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির একটি ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ’ এলাকা দিয়ে অতিক্রমের চেষ্টা করা ১০টি জাহাজকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইরানের দাবি, এসব জাহাজ মার্কিন সামরিক বাহিনীর উৎসাহ ও সহায়তায় ওই এলাকা অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। ফলে সেগুলোকেও অভিযানের আওতায় আনা হয়।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নজরদারি

বিবৃতিতে আইআরজিসি নৌবাহিনী জোর দিয়ে জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখনও তাদের বাহিনীর ‘কঠোর নজরদারি ও ব্যবস্থাপনার’ আওতায় রয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এই জলপথ ঘিরে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, তেল পরিবহন এবং বৈশ্বিক বাজারে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।

দাবির স্বাধীন যাচাই গুরুত্বপূর্ণ

ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনী হামলার এসব দাবি করলেও, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ক্ষয়ক্ষতি এবং অভিযানের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে ঘটনাটির প্রকৃত মাত্রা ও প্রভাব নির্ধারণে মার্কিন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি

স্থান: তেহরান | তারিখ: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬