ইসরায়েলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোর নিন্দা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে
তেল আবিব, ইসরায়েল | ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | দ্য গ্লোবাল জার্নাল
ইসরায়েলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান, ফিলিস্তিনিদের মানবিক সংকট, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ইউরোপের সঙ্গে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে চাপের মুখে ফেলেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হলেও ফিলিস্তিনিদের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
একসময় ইউরোপ ও ইসরায়েলের সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ মিত্রতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হতো। ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল ইসরায়েলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন বলেছিলেন, ইউরোপ ও ইসরায়েল বন্ধুত্ব ও মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ।
কূটনীতির পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পেও দুই পক্ষের সহযোগিতা ছিল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু গাজায় দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর সেই সম্পর্কের মধ্যে গভীর মতবিরোধ তৈরি হয়েছে।
আল জাজিরার বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জনমত, রাজনৈতিক চাপ এবং কূটনৈতিক সমালোচনা বেড়েছে।
ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি কেন?
ইসরায়েলের প্রতি ইউরোপের অসন্তোষ শুধু গাজার যুদ্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ, ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সংকুচিত হওয়ার বিষয়গুলোও ইউরোপীয় দেশগুলোর উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
আয়ারল্যান্ড ও স্পেন দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে ইসরায়েলি নীতির সমালোচনা করে আসছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাম্প্রতিক অধিবেশনে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন বলেন, গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড বিশ্বকে লজ্জিত করবে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও গাজায় সংঘটিত কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে তার দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানান।
যুক্তরাজ্যও ইসরায়েলি বসতি নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটি অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূলের অভিযোগও তুলেছেন।
সম্প্রতি অধিকৃত পশ্চিম তীরের তাইবেহ গ্রামের কাছে ফিলিস্তিনি জলপাইচাষিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও পোল্যান্ডের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এর এক দিন আগে রামাল্লার উত্তরে এক মার্কিন সাংবাদিকের ওপরও হামলার খবর প্রকাশিত হয়। এসব ঘটনার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিন্দা জানানো হয়েছে।
ইউরোপের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনেও ইসরায়েলের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে ইউরোভিশন প্রতিযোগিতা থেকে কয়েকটি দেশের সরে দাঁড়ানোর এবং কিছু ইউরোপীয় ফুটবলারের ইসরায়েলি দলের বিরুদ্ধে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

নেতানিয়াহু আবার ক্ষমতায় এলে কী হবে?
চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক ইয়োসি মেকেলবার্গের মতে, নেতানিয়াহু কট্টর ডানপন্থী দলগুলোর সঙ্গে আবারও সরকার গঠন করলে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি আরও গভীর হতে পারে। তাঁর আশঙ্কা, বর্তমান সরকারের নেওয়া কিছু পদক্ষেপের পরিণতি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে উঠতে পারে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে থাকা নেতানিয়াহু পুনরায় ক্ষমতায় এলে গাজার মানুষের জীবনযাত্রার পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নিকোলা পেরুগিনি।
তবে নেতানিয়াহুর বিদায় ঘটলেই ইসরায়েলের ফিলিস্তিননীতি বদলে যাবে, এমন ধারণারও যথেষ্ট ভিত্তি নেই। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত মধ্যপন্থী ইয়াশার পার্টির নেতা ও সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহু যদি তুলনামূলক উদারপন্থী দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন করেন, তাহলে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের গতি কমানো, ফিলিস্তিনিদের কাছে আরও মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিতর্কিত ই১ বসতি পরিকল্পনা বাতিলের মতো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে চ্যাথাম হাউসের সহযোগী ফেলো জুলি এম নরম্যানের মতে, শুধু এসব সীমিত পরিবর্তন ইউরোপের আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য যথেষ্ট হবে না। ইউরোপীয় সরকারগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে বাস্তব অগ্রগতি এবং দখলদারত্বের অবসানের উদ্যোগ দেখতে চাইবে।
ইসরায়েল সম্পর্কে ইউরোপীয় জনমতে পরিবর্তন
ইসরায়েলের প্রতি ইউরোপীয় জনগণের মনোভাবেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইসরায়েলের মিতভিম ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা গেছে, ৬৭ শতাংশ ইসরায়েলি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করেন; মাত্র ১৪ শতাংশ ইইউকে বন্ধু হিসেবে দেখেন।
অন্যদিকে, পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের বসন্ত থেকে ২০২৬ সালের বসন্তের মধ্যে যুক্তরাজ্যে ইসরায়েলের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণকারীর হার ৬১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৯ শতাংশ হয়েছে। ইতালিতে তা ৬৬ থেকে বেড়ে ৭৫ শতাংশ এবং জার্মানিতে ৬৪ থেকে বেড়ে ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে।
লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবাধিকার আইনবিষয়ক অধ্যাপক নেভে গর্ডনের মতে, গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের দাবিতে আন্তর্জাতিক বিক্ষোভ ও নাগরিক আন্দোলন বিভিন্ন দেশের সরকারকে জনমতের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান মেলানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে।
ইতালীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক নাতালি তোচ্চিও মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোর গণবিক্ষোভ ইউরোপের ইসরায়েলনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ, ইইউ-ইসরায়েল সহযোগিতা চুক্তি স্থগিতের দাবি এবং অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার মতো পদক্ষেপে এই চাপের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
তবে ইউরোপের সব দেশ একই অবস্থানে নেই। বিশেষ করে জার্মানির মতো ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোতে কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার নীতি নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিতর্ক থাকলেও সরকারগুলোর অবস্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
কট্টর ডানপন্থীদের সঙ্গে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠতা
ইউরোপে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমে আসার প্রেক্ষাপটে দেশটি ইউরোপের বিভিন্ন কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে। জাতীয়তাবাদ ও ইসলামবিরোধী অবস্থানের মতো কিছু বিষয়ে তাদের মধ্যে মিল রয়েছে। তবে ইউরোপের কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির কিছু অংশের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও বর্তমান ইহুদিবিদ্বেষের সম্পর্কও রয়েছে, যা এই সম্পর্ককে জটিল করে তুলেছে।
বার-ইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক মেনাখেম ক্লেইনের মতে, নেতানিয়াহু সরকারের নীতির কারণে বন্ধু ও মিত্রদের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। সম্পর্ক পুনর্গঠনে সময় লাগবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হলে ইসরায়েলকে শুধু কূটনৈতিক ভাষা পরিবর্তন করলেই চলবে না; শান্তিপ্রক্রিয়ায় অগ্রগতি এবং ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাস্তব পদক্ষেপও নিতে হবে।
নির্বাচনে কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কেন বড় ইস্যু নয়?
ইসরায়েলের নির্বাচনী প্রচারে আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার চেয়ে নিরাপত্তা, সামরিক অভিযান, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক জবাবদিহির বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর সামরিক অভিযানের নৈতিকতা কিংবা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ভাবমূর্তি নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম আলোচনা হচ্ছে।
ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের এপ্রিলে প্রকাশিত এক জরিপে ৯২ শতাংশ ইহুদি ইসরায়েলি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ডকে উচ্চ মূল্যায়ন করেছেন। একই জরিপে ৮০ শতাংশ হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন, এমনকি এতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হলেও।
সেপ্টেম্বরে জিউইশ পিপল পলিসি ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা যায়, ৭২ শতাংশ ইহুদি ইসরায়েলি গাজার সীমান্ত পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহার মেনে নিতে রাজি নন, যদি গাজার ভেতরে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বলয় বজায় না থাকে।
চ্যাথাম হাউসের নিবন্ধে মিডল ইস্ট আমেরিকান ডায়ালগ ফোরামের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইয়াকভ কাটজ উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের নির্বাচনী বিতর্কে হামাসকে দুর্বল করা, হিজবুল্লাহ ও ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমানো, জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস, ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতার তদন্ত এবং অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের সদস্যদের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের মতো বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে।
কাটজের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সমালোচনা, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা, ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধি, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সম্পর্কে ইসরায়েলিরা অবগত থাকলেও ৭ অক্টোবরের হামলা দেশটির জনমতকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। ফলে বিদেশি সরকারের সমালোচনাকে অনেক ইসরায়েলি ইহুদিবিদ্বেষ অথবা সমালোচকদের অজ্ঞতা হিসেবে দেখেন।
ইউরোপ-ইসরায়েল সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি ইউরোপের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, শুধু সরকার পরিবর্তনই ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করবে না।
ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য ইসরায়েলকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা, অধিকৃত ভূখণ্ডে বসতি সম্প্রসারণ, মানবিক সহায়তা এবং শান্তিপ্রক্রিয়া নিয়ে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ জনমতে নিরাপত্তা ও সামরিক শক্তির প্রতি সমর্থন অব্যাহত থাকলে এসব ক্ষেত্রে নীতিগত পরিবর্তন কঠিন হতে পারে।
সব মিলিয়ে, নেতানিয়াহুর নির্বাচনী ফলাফল ইউরোপ-ইসরায়েল সম্পর্কের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু সম্পর্কের গভীর ক্ষত সারানো এবং ফিলিস্তিনিদের পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার জন্য নির্বাচনের ফলের পাশাপাশি নীতিগত পরিবর্তন ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
দ্য গ্লোবাল জার্নাল









