Breaking
চীনের প্রেসিডেন্ট শি-জিংপিং এর সঙ্গে সকল বিষয়ের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে -প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

চীনের প্রেসিডেন্ট শি-জিংপিং এর সঙ্গে সকল বিষয়ের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে -প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

Share:

Written By

News Desk

চীনের প্রেসিডেন্ট শি-জিংপিং এর সঙ্গে সকল বিষয়ের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে -প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | দ্য গ্লোবাল জার্নাল

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে সব ইস্যুতেই অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে আলোচনায় ঠিক কোন কোন বিষয়ে সমঝোতা বা অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আর্কাইভস পরিদর্শনের সময় শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “সবকিছুতেই। আমাদের দারুণ বৈঠক হয়েছে। সত্যিই খুব ভালো বৈঠক হয়েছে। সবার জন্যই ভালো হয়েছে।”

বৈঠকে কী অর্জিত হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তবে বাণিজ্য, শুল্ক, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা কিংবা অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা চুক্তির কথা তিনি প্রকাশ করেননি।

বৈঠকের ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত জানাননি ট্রাম্প

ট্রাম্পের বক্তব্যে আলোচনার সার্বিক অগ্রগতির কথা উঠে এলেও এর সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বৈঠকের বাস্তব ফলাফল কী হয়েছে, তা পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা উভয় পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্য, শুল্কনীতি, প্রযুক্তি, সরবরাহব্যবস্থা এবং ভূরাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। এসব ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি যোগাযোগকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য

ন্যাশনাল আর্কাইভস পরিদর্শনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ইতিহাসের দীর্ঘ সময়কাল নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু তুলনা করছি। আমাদের ইতিহাস ২৫০ বছরের, যা দারুণ এবং আমরা এ নিয়ে গর্বিত। আর তাদের ইতিহাস ৬ হাজার বছরের। ৬ হাজার আর ২৫০ বছরের মধ্যে তো কিছুটা পার্থক্য আছেই। তবে আমাদের ২৫০ বছর নিয়েও আমরা খুব গর্বিত।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলকভাবে নবীন রাষ্ট্রীয় ইতিহাস এবং চীনের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ উঠে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম বার্ষিকী

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র তার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের ২৫০তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছে। গত ৪ জুলাই দেশটিতে এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ন্যাশনাল আর্কাইভস পরিদর্শনের সময় ইতিহাস নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যও এই বার্ষিকী উদ্‌যাপনের প্রেক্ষাপটে এসেছে।

ট্রাম্প-শি বৈঠনের দিকে নজর

বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতি ও প্রভাবশালী শক্তির নেতাদের বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় সব ইস্যুতেই অগ্রগতি হয়েছে। তবে আলোচনার সুনির্দিষ্ট ফলাফল, সম্ভাব্য সমঝোতার ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এর প্রকৃত পরিধি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

তথ্যসূত্র: তাস (TASS)।