Breaking
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মেটিকুলাস ডিজাইন —সবগুলোই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির পরিকল্পিত দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মেটিকুলাস ডিজাইন —সবগুলোই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির পরিকল্পিত দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র

Share:

Written By

News Desk

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মেটিকুলাস ডিজাইন —সবগুলোই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির পরিকল্পিত দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র

                                                                                                                                                                   

কলামিস্ট -ফজলে রাব্বী রবনা

ঢাকা,বাংলাদেশ | ২১ আগস্ট ২০২৬     

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অপশক্তির ষড়যন্ত্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়,বরং এটি এক ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত অপচক্রের অংশ। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের নির্মম গণহত্যা, ২০০৪ সালের ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টে মেটিকুলাস ডিজাইনের ঘটনাপ্রবাহ একই সূত্রে গ্রথিত স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির পরিকল্পিত দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র                                                                                                         

আজ বিভীষিকাময়-ভয়াল সেই ২১শে আগষ্ট।২০০৪ সালের ঠিক আজকের এই দিনে বিএনপি-জামাত জোটের দুঃশাসনকালে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা'কে হত্যার উদ্দেশ্যে ঢাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।সেই হামলায় বেগম আইভি রহমান সহ প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ২৪জন আওয়ামী লীগ এর নেতা-কর্মী।কর্মীদের তৈরি মানব ঢাল আর মহান আল্লাহ পাক এর মেহেরবানীতে প্রাণে বাঁচলেও গ্রেনেডের স্প্লিন্টারে গুরুতর আহত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা সহ অনন্ত ৫০০নেতা-কর্মী।

গ্রেনেড হামলাটি এতোটাই পরিকল্পিত ছিলো যে হামলা পরবর্তী আহত নেতা-কর্মীরা যেন চিকিৎসা নিতে না পারে সেজন্য বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে ঢাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের।

ঠিক যেভাবে পরিকল্পিত ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম,মুক্তিযুদের ইতিহাস এবং লাল সবুজের মানচিত্রের অস্তিত্ব বিলীন করার উদ্দেশ্যে১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান'কে হত্যা করা হয়।এমন কি হত্যা করা শিশু পুত্র শেখ রাসেল সহ পরিবারের সবাইকে। 

ঠিক একই ভাবে মেটিকুলাস ডিজাইনে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম,মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং দেশের অস্তিত্ব মুচে দেওয়ার লক্ষ্যে২০২৪সালে ৫ই আগষ্ট ঘটানো হয়েছে।এবং ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে পুরো জাতি দেখেছে দেশ বিরোধী সেই অপশক্তিটিই প্রথমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল স্মৃতি বিজড়িত স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের মানচিত্র পরিবর্তন করতে চেয়েছে,সংবিধান ছুড়ে ফেলার হুংকার দিয়েছে,বিজয় দিবস পরিবর্তনের আলোচনা তুলেছে,জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে,মুক্তিযুদ্ধাদের লাঞ্ছিত করেছে,ভাষা শহীদদের ভাসকর্য গুড়িয়ে দিয়েছে এমনকি বাংলাদেশের নাম পরিবর্তনের দাবিও তুলেছে।  

কারণ এরাই ১৯৭১সালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম এর বিরোধী ছিলো। এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে পরাজিত হয়ে ১৯৭৫সালে ১৫ই আগষ্ট নির্মম গণহত্যা চালিয়েছে।এরাই ২০০৪ সালে ২১ আগষ্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালিয়ে এবং এরাই সর্বশেষ ২০২৪ সালে এদেশের সাধারণত জনগণ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে মেটিকুলাস ডিজাইনে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা'কে হত্যার উদ্দেশ্যে ৫ই আগষ্ট ঘটিয়েছে।

এই ১৫ই আগষ্ট,২১শে আগষ্ট এবং ৫ই আগষ্ট সবগুলোই ছিলো স্বাধীনতা বিরোধী,মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী এবং দেশ বিরোধীদের পরিকল্পিত গভীর ষড়যন্ত্র।      সুতরাং আমাদের এবারের লড়াই & সংগ্রাম একেবারেই চুড়ান্ত -দেশের পক্ষে,দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তি যুদ্ধের পক্ষে এবং লাল সবুজের পতাকায় ৫৬হাজার বর্গ মাইলে স্বাধীন ভূখণ্ডের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে। সেই লড়াইয়ে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত ইন্শাআল্লাহ।

এবং সেই লড়াইয়ে আমাদের একমাত্র নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে আমরা আমাদের দেশ ও দেশের মানুষের অস্তিত্বরক্ষার  লড়াইয়ের চুড়ান্ত বিজয় সুনিশ্চিত করবো ইন্শাআল্লাহ।

                         Columnist: Mr. Fozla Rabbi Robna